গণহত্যা মামলা

২০১৩ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ছাত্র ও জনতার সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে ‘গণহত্যা’ অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেক রাজনৈতিক নেতা, সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নাম জড়িত রয়েছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি এই ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ হিসাবে চিহ্নিত করছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) তদন্ত সংস্থায় এই ঘটনার তদন্তের জন্য মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, জুনায়েদ আহমেদ পলক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, হাবিবুর রহমান, হারুন অর রশিদ এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ-সহ বিভিন্ন সংগঠনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এক মাসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তের ফলাফল এবং এর পরবর্তী কর্মকাণ্ড অপেক্ষা করার অবস্থায় রয়েছে। এই ঘটনার আসল সত্য নিয়ে জনমত বিভক্ত।

মূল তথ্যাবলী:

  • জুলাই-আগস্ট ২০২৩-এর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহতদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
  • এই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তি, কর্মকর্তা, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নাম জড়িত।
  • ‘গণহত্যা’ অভিযোগ উঠেছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
  • এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ অনেককে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
  • আইসিটি মামলার তদন্ত এক মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে।

গণমাধ্যমে - গণহত্যা মামলা

২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ৬:০০ এএম

গণহত্যা মামলায় ৭ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।