সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোর ডিপার্টমেন্ট (সিএমএসডি) এর ভূমিকা ও ব্যর্থতা: শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে অত্যাধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অব্যবস্থাপনার কারণে রোগীদের অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। ২০১৩ সালের ২৯শে জুন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রস্তুত একটি ল্যাসিক মেশিন (মূল্য: ১১ কোটি ৯০ লাখ টাকা) সিএমএসডি-র মাধ্যমে এই হাসপাতালে সরবরাহ করা হয়। এসপি ট্রেডিং হাউস এবং সিঙ্গাপুর ভিত্তিক ‘অ্যাবট মেডিকেল অপটিক’ এর মাধ্যমে মেশিনটি সরবরাহ করা হলেও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে, মেশিনটি বারবার বিকল হয়েছে এবং বর্তমানে ৬ বছর ধরে অচল রয়েছে। এছাড়াও, ছানি অপারেশনের ফ্যাকো মেশিনটিও ৭ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এই ঘটনায় বরিশাল বিভাগসহ দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় দেড় কোটি মানুষ উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিএমএসডিকে বারবার চিঠি দিয়েও কোন স্থায়ী সমাধান পায়নি। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একে এম মশিউল মুনির মন্ত্রণালয় ও সিএমএসডির সাথে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন। মেশিন মেরামতের জন্য প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে হাসপাতালের চক্ষু বিভাগ প্রধান ডা. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন। তিনি মেশিনের প্রয়োজনীয় গ্যাস ও প্রশিক্ষিত জনবলের ব্যবস্থা করার ওপর জোর দিয়েছেন। সিএমএসডি-এর অদক্ষতা ও অবহেলার কারণে রোগীদের চিকিৎসা গ্রহণে অসুবিধা হচ্ছে এবং সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে।
সিএমএসডি
মূল তথ্যাবলী:
- সিএমএসডি-র মাধ্যমে সরবরাহকৃত ল্যাসিক মেশিন ৬ বছর ধরে বিকল
- ফ্যাকো মেশিন ৭ মাস ধরে বন্ধ
- দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় দেড় কোটি মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত
- মেশিন মেরামতের জন্য প্রায় ১ কোটি টাকা প্রয়োজন
- সিএমএসডি-র অদক্ষতা ও অবহেলায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যাঘাত