মুয়াব্বিয়া ইবনে হায়দা

আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩:১৩ এএম

হযরত মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (রাঃ): একজন বিশিষ্ট সাহাবী ও খলিফা

মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (রাঃ) ইসলামের ইতিহাসে একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাহাবী, অহী লেখক, এবং উমাইয়া খিলাফতের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর জন্ম ৬০৬ খ্রিস্টাব্দে মক্কায়। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তিনি বদর, উহুদ এবং খন্দকের যুদ্ধে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। পরবর্তীতে মক্কা বিজয়ের সময় বা হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি হোনাইন ও তায়েফ যুদ্ধে রাসূল (সঃ)-এর সঙ্গে ছিলেন।

রাসুল (সঃ) তাঁর জন্য দোয়া করেছিলেন: ‘হে আল্লাহ, মুয়াবিয়াকে কিতাব ও হিসাব শিক্ষা দিন। তাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন।’ (কানজুল উম্মাল: ৩৩৬৫৬)

হযরত আবু বকর (রাঃ) এবং হযরত উমর (রাঃ) -এর খিলাফতকালে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অংশগ্রহণ করেন। হযরত উমর (রাঃ) তাকে দামেষ্কের শাসক এবং হযরত উসমান (রাঃ) তাকে সমগ্র সিরিয়ার শাসক নিয়োগ করেন। হযরত আলী (রাঃ)-এর শাহাদাতের পর ৬৬১ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুসলিম জাহানের খলিফা হন।

মুয়াবিয়া (রাঃ) ছিলেন একজন দক্ষ প্রশাসক ও কূটনীতিবিদ। তাঁর শাসনামলে মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রসার ঘটে। তিনি ১৬৩ টি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে ৪টি হাদিস সহিহ বুখারী এবং সহিহ মুসলিম উভয় গ্রন্থে উল্লেখিত। তিনি ৬০ হিজরীতে (৬৮০ খ্রিস্টাব্দে) দামেষ্কে ইন্তেকাল করেন।

মুয়াবিয়া (রাঃ) সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত প্রচলিত আছে। তবে, ইসলামের ইতিহাসে তাঁর অবদান অস্বীকার করা যায় না।

যদি আপনার আরো বিস্তারিত তথ্যের প্রয়োজন হয়, আমরা তা পরবর্তীতে আপডেট করব।

মূল তথ্যাবলী:

  • মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (রাঃ) ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাহাবী ও উমাইয়া খিলাফতের প্রতিষ্ঠাতা।
  • তিনি ১৬৩টি হাদিস বর্ণনা করেছেন।
  • তাঁর শাসনামলে মুসলিম সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ঘটে।
  • তিনি ৬০ হিজরীতে (৬৮০ খ্রিস্টাব্দে) দামেষ্কে ইন্তেকাল করেন।

একই নামে একাধিক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও স্থান থাকতে পারে। সুনির্দিষ্টভাবে জানতে সংবাদ লিংকে প্রবেশ করুন।

গণমাধ্যমে - মুয়াব্বিয়া ইবনে হায়দা

মুয়াব্বিয়া ইবনে হায়দা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে স্ত্রীর অধিকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন।