গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

আপডেট: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ৬:৪০ এএম
নামান্তরে:
গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার
গৌরী প্রসন্ন মজুমদার
গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার (৫ ডিসেম্বর ১৯২৪ - ২০ অগাস্ট ১৯৮৬) বাংলা আধুনিক ও চলচ্চিত্র সংগীতের একজন বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা চলচ্চিত্র ও আধুনিক গানের জগতে তিনি প্রেমাবেগের এক অমূল্য সম্পদ ছিলেন। শব্দচয়নের দিক দিয়ে গীত রচনায় তাঁর অনন্য স্পর্শ ছিল। মান্না দে-এর গাওয়া তাঁর লেখা 'কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই' গানটি ২০০৪ সালে বিবিসির এক জরিপে সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের মধ্যে অন্যতম হিসেবে স্থান পেয়েছে।

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ১৯২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার গোপালনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 'বাচ্চু' ছিল তাঁর ডাক নাম। তাঁর পিতা গিরিজাপ্রসন্ন মজুমদার কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন। ১৯২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণকারী গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ১৯৮৬ সালের ২০ আগস্ট কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে তাঁকে 'মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা' প্রদান করে।

তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের অন্যতম গীতিকার ছিলেন। 'অন্যায় অবিচার', 'মকসদ', 'তিনমূর্তি'সহ অসংখ্য চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গান তিনি রচনা করেছেন। আর.ডি. বর্মন, কিশোর কুমার, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, মান্না দে প্রমুখ তার সাথে কাজ করেছেন। 'আমি আকাশ দেখতে চাই', 'তোমরা আমার মা' প্রভৃতি গান তাঁর লেখা।

বাংলাদেশী চলচ্চিত্রেও তাঁর অবদান রয়েছে। 'দুই ভাই', 'অগ্নি নিযুক্তি' প্রভৃতি ছবিতেও তাঁর লেখা গান রয়েছে। বাংলা ফিল্ম সাংবাদিক সমিতির পুরষ্কারসহ অসংখ্য পুরষ্কারে ভূষিত হন। তার লেখা 'শোনো একটি মুজিবুরের থেকে' ও 'মাগো ভাবনা কেন' মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

মূল তথ্যাবলী:

  • গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার বাংলা আধুনিক ও চলচ্চিত্র সংগীতের একজন বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার ছিলেন।
  • তিনি ১৯২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৬ সালের ২০ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।
  • তাঁর লেখা 'কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই' গানটি বিবিসির জরিপে সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের মধ্যে অন্যতম।
  • মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তিনি 'মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা' লাভ করেন।
  • তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের অন্যতম গীতিকার ছিলেন।

একই নামে একাধিক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও স্থান থাকতে পারে। সুনির্দিষ্টভাবে জানতে সংবাদ লিংকে প্রবেশ করুন।